আমিও গতবছর ডা: ধীরাজ মোহনের চেম্বারে গিয়েছিলাম। কিন্তু উনি এত ব্যস্ততা দেখালেন, আমার রোগের লক্ষণগুলো ঠিকমতো বলতেই পারলাম না, ফটাফট ওষুধ লেখা শেষ। আমি বললাম, স্যার আমাকে তো নিজের কিছু বলতেই দিলেন না। উনি ১ মিনিটও সময় দিলেন না, বেল চেপে দিলেন। আমি যতদূর জানি, মানসিক রোগের চিকিৎসাতে ওষুধ প্রয়োগ আসে সর্বশেষ পর্যায়ে। কথা বলেই অর্ধেক রোগীকে ভালো করে তোলা হয়, কারণ রোগটা মনের। সুতরাং মনটাকে আগে বুঝতে হয়। সেখানে যদি ১ মিনিটের ওপর কথাই না শোনা হয়, রোগী তো হতাশা নিয়েই বাসায় ফিরবে! ওনাকে শুধুমাত্র ব্যবসায়িক টাইপের মনমানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। খুলনার মধ্যে অনেক সময় নিয়ে রোগী দেখে এমন ডা: কি আসলেই আছে? থাকলে এখানে কাইন্ডলি জানাবেন। এতে অনেকের উপকারে আসবে, আশা করি।