ওয়েব সাইট ও এডসেন্স কেনার ক্ষেত্রে সতর্কতা জেনে নিন | Adsense Warning

ওয়েব সাইট ও এডসেন্স কেনার ক্ষেত্রে সতর্কতা জেনে নিন
Learn to be careful when buying websites and adsense

Website & Adsense Warning Tips

বর্তমান সময়ে ওয়েব সাইট ও গুগল এডসেন্স ক্রয়-বিক্রয় খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই গুগল এডসেন্স ও ওয়েব সাইট বিভিন্ন জায়গা থেকে ক্রয় করে ব্যবহার করছেন। যার কারনে অনেকেই বিভিন্ন ভাবে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। যেমন পেমেন্ট করার পর ওয়েব সাইট দিচ্ছে না বা সাথে সাথে রিকভার করে নিচ্ছে। অথবা এডসেন্স এ্যাকাউন্টে সমস্যা আছে।

আপনি যদি সব কিছু ঠিক ঠাক না দেখে ওয়েব সাইট বা গুগল এডসেন্স কিনেন তাহলে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

আজকে আমরা আপনাদের কে জানানোর চেষ্টা করবো যে ওয়েব সাইট ও গুগল এডসেন্স কেনার ক্ষেত্রে যে বিষয় গুলো চেক করার পর ওয়েব সাইট ও গুগল এডসেন্স কিনবেন। বা কিভাবে কিনলে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
1. Web site visit
2. Number of posts and visitors
3. AdSense Approve or Disable Check
4. The value of the website
5. Check AdSense Approve / Disable
6. Talk on the video call and record the call.
7. Proof
8. Access

ওয়েব সাইট ভিজিটঃ প্রথমত যেই ওয়েব সাইট কিনবেন সেই সাইটের লিংক টা নিবেন এবং ভিজিট করবেন। সব পোস্ট গুলো দেখবেন এরপর কতগুলো পোস্ট গুগলে ইনডেক্স আছে চেক করবেন, পোস্টের কোয়ালিটি যেমন পোস্টে কতগুলো শব্দ আছে, কতগুলো ইমেজ আছে ইত্যাদি চেক করবেন।

কতগুলো পোস্ট গুগলে ইনডেক্স আছে এটা চেক করার জন্য যে কোন ব্রাওজারে গিয়ে site:your domain name মানে site: লেখার পরে ডোমেইন নামটা দিতে হবে।

পোস্ট ও ভিজিটর সংখ্যাঃ বিক্রয় কারী হতে তার সাইটে মোট কয়টি পোস্ট আছে ও প্রতিদিন কত ভিজিটর আসে। মনে করেন সে বলল সাইটে পোস্ট আছে ১০০ টি এবং ভিজিটর আসে প্রতিদিন ১০০-১৫০ টি তাহলে বুঝে নিবেন এই ওয়েব সাইটের কোয়ালিটি টা তেমন ভাল না কারন ১০০ পোস্টের ওয়েব সাইটে প্রতিদিন ২০০০-৩০০০ হাজার ভিজিটর আসতেই পারে যদি তার পোস্টের কোয়ালিটি টা ভাল হয়। তবে এমন অনেকেই আছে যারা শুধুমাত্র পোস্ট করেই যায় এডসেন্স এপ্রুভ হয়ে যায় দিন শেষে কোন ভিজিটর পাওয়া যায় না। শুধুমাত্র এডসেন্স এপ্রুভ আছে আর অনেকগুলো পোস্ট আছে কিন্তু কোনো কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট নাই। যার জন্য পোস্ট রেংক করে না অর্গানিক ভিজিটর আাসে না, আর যেই ভিজিটর গুলো আসে সেই গুলো পোস্ট শেয়ার করার মাধ্যমে আসে

এডসেন্স এপ্রুভ বা ডিজেবল চেকঃ ওয়েব সাইটে এডসেন্স এপ্রুভ থাকলে ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে কয়েকটি পোস্ট দেখলেই কোন না কোন জায়গাই এড শো করবে বা নিচের লিংকে গিয়ে Url এ ডোমেইন লিংক দিয়ে তার নিচে থাকা চেক বাটন ক্লিক করে চেক করুন।

ওয়েব সাইটের মূল্যঃ আসলে ওয়েব সাইটের মূল্য নির্দিষ্ট ভাবে বলা যায় না তবে এডসেন্স এ যদি কোন ডলার থাকে তবে ওই ডলার পরিমান অর্থ যোগ করে  মূল্য নির্ধারণ করবেন। তবে সাধারণত যারা নতুন আছেন তারা প্রচুর দাম দিয়ে সাইট ক্রয় করে। মানে অনেক দামে সিম্পল একটা ওয়েব সাইট কিনে ফেলে সে ক্ষেত্রে একটা বিষয় লক্ষ্য করবেন আসলে যে কোন মাধ্যমেই অনেকগুলো পোস্ট লেখা যায়। সাধারনত বেশ কিছু পোস্ট ও সামান্য কিছু ভিজিটর হলেই এডসেন্স এপ্রুভ হয়ে যায়। তবে এপ্রুভ হয়ে যাওয়া মানে এই না যে আপনি হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতে পারবেন সহজেই। তার জন্য মান সম্মত পোস্ট লেখা প্রয়োজন। মনে করেন সাইটে ১০০ পোস্ট আছে কিন্তু কোনোটাই মান সম্মত পোস্ট না। গুগল এডসেন্স এপ্রুভ আছে ঠিক আছে  কিন্তু  কোনো ভিজিটর পাবেন না আর ভিজিটর না থাকলে কোনো ডলার ও হবে না আর আপনি যদি ওই সাইট টা অনেক দামে কিনেন তখন আপনি খুব ঠকে যাবেন। এবং ওই টাকাটা তুলতে আপনার অনেকটা সময় লেগে যাবে। এর জন্য তার থেকে যেনে নিবেন যে তার প্রতিদিন কত ভিজিটর আসে

চেক এডসেন্স এপ্রুভ/ ডিজেবলঃ দামা দামি হয়ে গেলে আপনি ব্লগার, এডসেন্স, হোস্টিং এর Login information দিতে মানে যেই জিমেইল দিয়ে ব্লগার খোলা ও এডসেন্স খোলা সেই জিমেইল ও পাসওয়ার্ড লাগবে বিশেষ করে যেই জিমেইল দিয়ে এডসেন্স খোলা ও এপ্রুভ করা হয়েছে সেই জিমেইল টা ১০০% লাগবেই।

এডসেন্স একাউন্ট কিন্তু ট্রান্সফার করা যায় কোনো সমস্যা হয় না তবে যেই জিমেইল টা দিয়ে এডসেন্স এপ্রুভ করা হয়েছে মানে মাদার জিমেইল এটা যদি না থাকে তবে পরবর্তী সময়ে প্রচুর সমস্যায় পড়বেন।

এই সমস্ত সমস্যা এড়াতে গুগল এডসেন্স এপ্রুভ হয়েছে যেই জিমেইল দিয়ে সেই জিমেইল পাসওয়ার্ড টি নিয়ে নিবেন এবং ফুল এক্সেস আপনার কাছে রাখবেন।

ভিডিও কলঃ ভিডিও কলে কথা বলবেন এবং কলটি স্ক্রীন রেকর্ড করবেন। ভিডিও কলে এডসেন্স একাউন্ট টি দেখাতে বলবেন কারন আপনি এখনো তাকে টাকা দেন নি তার জন্য সে কোনো ভাবেই লগিন এক্সেস দিবে না নিজে হাতে চেক করার জন্য।

তার এডসেন্স একাউন্ট এ কোনো সমস্যা, ইস্যু আছে কিনা দেখে নিবেন। তারপর সাইট অপশনে ক্লিক করে আপনাকে যেই ডোমেইন টি দিবে সেটি এপ্রুভ আছে কি না দেখে নিবেন। এবং সব পেজ রিলোড করে দেখে নিবেন আর এই সমস্ত কাজ গুলো স্ক্রীন রেকর্ড করে রাখবেন প্রমাণ হিসেবে যা পরবর্তী সময়ে কাজে লাগবে।

প্রমাণঃ NID অথবা জন্ম নিবন্ধন এর ছবি নিবেন কারন ওয়েব সাইট কেনার পর যদি আপনার সাইট মেরে দেয় বা আপনার টাকা টা যদি মেরে দেয় তখন আপনার কিছুই করার থাকবে না তাই এই ডকুমেন্টস গুলোর ছবি নিয়ে নিবেন।

যদি আপনার ওয়েব সাইট টি মেরে দেয় সে ক্ষেত্রে স্ক্রীন রেকর্ড/ভিডিও কল ও NID বা জন্ম নিবন্ধন এর ছবি গুলো আইনের সহায়তা পেতে আপনাকে সাহায্য করবে।

এক্সেসঃ সাইট কেনার জন্য টাকা দেয়ার পর জিমেইলের, হোস্টং এর, যে কম্পানির কাছে ডোমেইন কেনা হয়েছে তার এক্সেস সব কিছু নিয়ে নিবেন।

এর পর সর্ব প্রথম আপনি জিমেইল এর সেটিংস এর ভেতরে প্রবেশ করে পারসোনাল ইনফর্মেশন এ গিয়ে ফোন নাম্বার টি পরিবর্তন করবেন এর পর পাসওয়ার্ড টি পরিবর্তন করবেন। তার পর সময় নিয়ে অন্যান্য তথ্য গুলোও পরিবর্তন করবেন। তার পর রিসেন্ট সিকিউরিটি এক্টিভিটি এই অপশনে ক্লিক করে দেখে নিবেন যে এই জিমেইল একাউন্টটি এই মুহুর্তে কতটা ও কোন কোন ডিভাইসে লগ ইন আছে। এখানে অনেক গুলো ডিভাইস শো করতে পারে সে ক্ষেত্রে আপনার ডিভাইসের নাম টা রেখে সবগুলো ডিভাইসের নামের ওপরে থ্রী ডট আইকনে ক্লিক করে ডিলিট করে দিবেন। তারপর আপনার টু স্টেপ ভেরিফিকেশন অন করে দিবেন। তারপর একটি রিকভারি ইমেইল সেট করে নিবেন।

এরপর ব্লগ সাইটের সেটিংস এ গিয়ে ব্লগ এডমিন ও অথোর এ ক্লিক করে আপনার জিমেইল টা রেখে, সবগুলো ডিলিট করে দিবেন।

এখন গুগল এডসেন্স এর ইউজার ম্যানেজমেন্ট সেটংস এ গিয়ে আপনার জিমেইল টা রেখে সবগুলো জিমেইল রিমোভ করে দিন।

কোন জানার থাকলে কমেন্ট করুন ধন্যবাদ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top